জাহ্নবী, কারণ তাহাকে এক চুমুকে পান করা হয়েছিল
সুতরাং
তদবিরকে ন্যস্ত করা হল এবং জড়োয়া জাতীয় আচ্ছন্নতাকে স্বয়ংজাত মনোনিবেশে শ্রান্তি দেওয়া হল।
সেহেতু, জানুযুক্ত সকল ঋষিই বর্তমানতা অনুসারে অপবাদক
এবং এই মুহূর্ত যারপরনাই স্থিত
কারণ বিছানায় ঘিয়ে রঙের ব্রেসিয়ার পড়ে আছে
আর
বারবার বন্ধ দরজার ওপারের থেকে চিৎকার আসছে
“এবার খোল, দিদা ডাকছে রে”
প্রিয়তম হালকা ও তখনও বিহ্বলতা নিয়ে উচ্ছিষ্টের মত জামাকাপড়গুলির দিকে তাকায়, ও সচকিত হয়ে উঠে পড়ে।
“পড়ে নাও”
অথর্বের মত চিরন্তনী পড়ে থাকে তখনই
নিমগ্নতাকে পয়গম্বর বানিয়ে ফেলে।
উদাসীন রূপে অ-নগ্নতাকে ঔদার্য জ্ঞান করে।
ও প্রিয়তমকে পোশাক সম্বলিত ক’রে দেওয়ার প্রস্তাব রাখে।
আদৌ চিরন্তনী অবাস্তব নয়। ও চিরন্তনীর যোনীমুখে প্রিয়তম’র নিবেশক তখনও কোহিনূরজনক লোভ দ্যাখাইনি
প্রিয়তম মোটেও খুশি হয়না, তাই সে প্রিয়তা ছেড়ে হজমোলা জাতীয় উদ্ধারকর্তার মত আশ্বাস দ্যায়।
ও পোশাকমুখী হয়ে ওঠে।
চিরন্তনী লাস্যময়তা ছেড়ে ঘাম মোছে।
প্যান্টের চেন আটকাতে আটকাতে দুর্দান্ত অতৃপ্তিতে হজমোলার দিকে ফিরেও তাকায়না।
হজমোলা দরজার শিকল খোলে
-কতক্ষণ ধরে এখানে ওয়েট করছি জানিস?
-ওহ… একটু জল খাওয়া,
চল ঘরে চল।
-দিদা এসে পড়লে কি হত বলতো?
- তোর কাছে আর বিড়ি আছে?
চিরন্তনী শেষতম প্রস্তুতকর্তৃর মত করিডোর ঘুরে মূল ঘরে এসে পৌঁছয়
সেখানে হুহু করে ঠান্ডা নামছে
জানলা গুলো ভয়ংকর জোরে বন্ধ করা
ঘরের মাঝবরারবর একটা অতিশীতল হলদেটে ডুম-আলো।
চিরন্তনী প্রিয়তম ও বন্ধুর কাছ থেকে দূরে কোলবালিশে হ্যালানমগ্ন হয়ে থাকে।
উপযুক্ত ভাবে প্রিয়তমকে দীর্ঘক্ষণ আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে,
এবং বলে,
‘তুমি কি বাথরুমে যাবে…?’
যদিও তখন ঘরটিতে এসি চলছিল
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন