শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৫

শমনীয় হোক ১

এই যে অপরিমেয়তা
ইহাতেই যাবতীয় ক্ষেদ
ও পরিমাণ সহ
একঘেয়ে হীনযান বয়ে চলা
        যাকে বলে
শীঘ্রগামী
এবং পতন বিমুখ

তবুও বিনামূল্যে তাহারে কি
ক্ষির দেওয়া যায়?
ক্ষির দুগ্ধজাত
সুতরাং খাদ্যকে কাড়া ও বিবর্তিত

কাহাকে বিবর্তন বলবে?
সারমেয়ী হয়ে পড়ি
অভিমান সূচক

ও নিজেকে ঝুলিয়ে রাখার দায়ে

ঠিক যতটা সিলিং থেকে
মেঝে দ্যাখা যায়
ঘাড় কাত করে
জিভটা উলটে দিয়ে

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

মেয়েটি ফরসা ছিল ৪

যথারীতি চাঁদটাকে উলটে দেওয়া যাক বরং
   এবং শিরোধার্য করে দেওয়া হোক চামড়া প্রীতিকে।
উৎসবকে আচমকা বিনোদিয়া হস্তে আপনার ক'রে নেওয়া হল।ফলে ঈশ্বর এখন আপাতরমণীয়
                            ও তিনি ফরসা কাতর
যুক্তিসংগত ভাবেই তাই মেয়েটি উঠে দাঁড়ায়, হাত তোলে, লাফায় এবং বোঝে সে জিতে গ্যাছে।
মেয়েটির লিঙ্গ খিদে নেই। ঈশ্বরের কলজেকে চিরে চিরে; আলগা ফাঁক করে, তাতে নিজের রজঃস্রাব ঠুসে দ্যায় সে। দম্ভভারে হেসে ফ্যালে, কারন ইতোমধ্যে হেঁদো মেয়েটির কাছ থেকে সে যোনিজাত অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে।
ঈশ্বর হেঁদো মেয়েটিকে বোঝায়,  আপাতত উৎসবের মরশুম। এই মরশুমে ফরসা মেয়েটি ভাল থাকার দাবিদার। ফলত, এক্ষণে উৎসব ব্যতীত অন্য মোক্ষলাভের প্রচেষ্টা থাকা উচিত নয়।
হেঁদো মেয়েটি যদিও গৃহস্থ,  তমোগুণ ও রজোগুণ সম্পন্না। ঈশ্বরের অঙ্গপূজার মাধ্যমেই সে নিয়ন জ্যোতি লাভ করতে চায়।
ফরসা মেয়েটি তবুও তার হিংসার পাত্রী হয়না।
ঈশ্বর আশ্বাস দ্যায়, এ নিছকই ফরসা দেহকে সম্মাননা জ্ঞাপন ছাড়া কিছুই নয়।
ফরসা মেয়েটি জিতে যাওয়ার পর নিজেই একটি উত্তরীয় পরে ন্যায়।
কিয়ৎক্ষণ মাটিতে মাথা ঝুঁকিয়ে রাখে, য্যানো কিছু নির্বাচন করতে চাইছে। তারপর ঈশ্বরের দিকে তাকিয়ে বলে,
      আমি মিষ্টি খাইনা

রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫

মেয়েটি ফরসা ছিল ৩

মেয়েটির পরোটা
কিঞ্চিৎ বাস্তবের মত
তাহার মুখ বরাবর নির্ভয়ে গলে যায়
যতটা বিনম্র চিত্তে উরু পড়ে থাকে শূন্য জ্ঞানে
         নতুন বিলাস জাতীয় মুগ্ধকরণে নিরীক্ষণ চলে

এবং আপাতত মেয়েটির মুখে তৃপ্তি ঝুলে পড়েছে
খেয়ে ফ্যালা
ও বাদবাকি ঢেঁকুরের মাঝে ইঞ্চিখানেক প্রিয়তম সুখ

চূড়ান্ত পেখমধরা আজবগিরি ছেড়ে আমি যথারীতি উঠে পড়েছি। ও ঈশ্বরের কথা শুনে মেয়েটিকে দরবারে ডাকার আদেশ পাইলাম।  কিছুটা কাকুতি ও অহেতুকী সহ। গেলাম, এবং ফরসা মেয়েটি নস্যাতকরণ চালালো। এদিক ওদিক এফোঁড়ওফোঁড় করে দিয়ে অট্টহাসির মত করে বলল, আমি না গেলে কিইবা যায় আসে।
অথচ,  তার কিছুকাল পর নিজেই টের পেয়েছি, তার পরোটা নিজের মনিবের ছবি তৈরি করেছে আবহের মাধ্যমে।  হামাগুঁড়ি দিয়ে হেঁটে গ্যাছে পাকস্থলীকৃত হতে।

অস্বাভাবিক ভাবেই হোক, আমি এখানে অনাদরের পাচক মাত্র

মেয়েটি ফরসা ছিল ২

কেউ তাকে দ্যাখেনি কখনও
যদিও দেখলে বিপর্যয় খুবই সামান্য হবে
তবুও
চোখে সবার তৈয়ারি সানগ্লাস
বাদুর প্রমাণ রোদ থেকে বাঁচার জন্য,
সে রোদের মধ্যে দৃশ্যমান হলেও
আপাতত মাতৃগর্ভ তাকে শয্যা ত্যাগ
              করার নির্দেশ দ্যায়নি
সবাই চোখে সানগ্লাস,  হেলমেট ও বুটজুতো পরে হেঁটে চলে যায়
নিরাপদ
স্বাভাবিক মতো
বানানভিত্তিক
এবং
সাদা মোজা সহ ধোপদুরস্ত হয়ে
        যদিও-
না দ্যাখা- শয্যাগত ব্যক্তিটি
মাদারচোদ নয়

মেয়েটি ফরসা ছিল ১

পার্থিব আসক্তিতে গত কিছু শৈশব যাবৎ ফুটবল খেলেছি। এক পায়ে বল,  চোখ কাটাচ্ছে বাধাগুলো। এই ধরুন, তিনি ও তারা পাশাপাশি বসে আছে। আবার ধরুন, তিনি এখানে অমাতৃক ও তারা সবাই হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ। এবার ছড়িয়ে ফ্যালা যেতেই পারে। প্রিয়তমা খোলস থেকে আশু ভ্যাম্পরূপী সন্দেহকারী বা গঙ্গার ঘাটের চোলাই এর পাউচ।সবই অহেতুক কলাপ্স করা নয়, রিজিড থাকা নয়। প্রবাহমানতাই একমাত্র লক্ষ্য।এবং আপনি কোনো মতেই দিকভ্রষ্ট হচ্ছেন না এই অমাতৃক আর প্রসূতিবিভাগের ভিতর। কারণ,  এখন তারা একসাথে বসে থাকলেও হতেই পারে তাদের বিচ্ছেদ পরবর্তী আবার দ্যাখা হবে কোনো সদ্যজাত শিশুর নিমিত্ত হয়ে। এই দেখুন, আপনার অলক্ষ্যেই তাদের পুনর্বার দ্যাখা করানোর আগে যে আপাতত তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে তা নির্দেশিত হল।
      অমানুষিক সাহচর্য বিলাস ধর্তব্যের মধ্যে আদৌ কি পরে? চিরাচরিত অলক্ষ্যে কোনো যাপনের মধ্যে যে থিতিয়ে পড়া চলে- বিনোদন বিনোদিত হয় - যাপন ভেঙে ফ্যালার জন্য, যে ধূর বাল... আর ভাল লাগছে না বাড়া। উই শুড ক্লোজ ইট ইমিডিয়েটলি। কিন্তু প্রসূতিবিভাগ বিপন্ন, সদ্যজাত'র জন্ম ব্যতীত।  তার জন্য হাসপাতালে গর্ভবতীর আসা প্রয়োজন।  মানে শেষমেশ সদ্যজাতটি অমাতৃক হল না। যদিও এখানে অমাতৃক নামক তিনির এক্সিজটেন্স আছে।
     হঠাৎ করে অমাতৃক নিজে সন্তানসম্ভবা হয়, যদিও তা স্বাভাবিক ভবিষ্যৎই ছিল। তবুও অমাতৃক অবাক হয়। সে যে মাতৃক কাউকে পৃথিবীস্থ করতে চলছে,  তাহা বিশ্বাসের অতীত। ও এক বিশাল সাবধানতা সূচিত হয়। প্রসূতিবিভাগে সে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে আসে।
   জল ভাঙে ঘাট পাউচ পাউচের বাংলা প্রিয়তমা ভ্যাম্প,  যেহেতু প্রিয়তমার প্রিয়তম অন্য কারোর ঘরে।  
অমাতৃক ফুলের মত সরু চালের ভাত বাড়ে, কাঁসার থালায়
প্রসূতিগৃহ তৃপ্ত হয়
তারা রান্নাঘর থেকে খাওয়ার টেবিল অবধি পথ,
পৌঁছোবার