যথারীতি চাঁদটাকে উলটে দেওয়া যাক বরং
এবং শিরোধার্য করে দেওয়া হোক চামড়া প্রীতিকে।
উৎসবকে আচমকা বিনোদিয়া হস্তে আপনার ক'রে নেওয়া হল।ফলে ঈশ্বর এখন আপাতরমণীয়
ও তিনি ফরসা কাতর
যুক্তিসংগত ভাবেই তাই মেয়েটি উঠে দাঁড়ায়, হাত তোলে, লাফায় এবং বোঝে সে জিতে গ্যাছে।
মেয়েটির লিঙ্গ খিদে নেই। ঈশ্বরের কলজেকে চিরে চিরে; আলগা ফাঁক করে, তাতে নিজের রজঃস্রাব ঠুসে দ্যায় সে। দম্ভভারে হেসে ফ্যালে, কারন ইতোমধ্যে হেঁদো মেয়েটির কাছ থেকে সে যোনিজাত অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে।
ঈশ্বর হেঁদো মেয়েটিকে বোঝায়, আপাতত উৎসবের মরশুম। এই মরশুমে ফরসা মেয়েটি ভাল থাকার দাবিদার। ফলত, এক্ষণে উৎসব ব্যতীত অন্য মোক্ষলাভের প্রচেষ্টা থাকা উচিত নয়।
হেঁদো মেয়েটি যদিও গৃহস্থ, তমোগুণ ও রজোগুণ সম্পন্না। ঈশ্বরের অঙ্গপূজার মাধ্যমেই সে নিয়ন জ্যোতি লাভ করতে চায়।
ফরসা মেয়েটি তবুও তার হিংসার পাত্রী হয়না।
ঈশ্বর আশ্বাস দ্যায়, এ নিছকই ফরসা দেহকে সম্মাননা জ্ঞাপন ছাড়া কিছুই নয়।
ফরসা মেয়েটি জিতে যাওয়ার পর নিজেই একটি উত্তরীয় পরে ন্যায়।
কিয়ৎক্ষণ মাটিতে মাথা ঝুঁকিয়ে রাখে, য্যানো কিছু নির্বাচন করতে চাইছে। তারপর ঈশ্বরের দিকে তাকিয়ে বলে,
আমি মিষ্টি খাইনা
এবং শিরোধার্য করে দেওয়া হোক চামড়া প্রীতিকে।
উৎসবকে আচমকা বিনোদিয়া হস্তে আপনার ক'রে নেওয়া হল।ফলে ঈশ্বর এখন আপাতরমণীয়
ও তিনি ফরসা কাতর
যুক্তিসংগত ভাবেই তাই মেয়েটি উঠে দাঁড়ায়, হাত তোলে, লাফায় এবং বোঝে সে জিতে গ্যাছে।
মেয়েটির লিঙ্গ খিদে নেই। ঈশ্বরের কলজেকে চিরে চিরে; আলগা ফাঁক করে, তাতে নিজের রজঃস্রাব ঠুসে দ্যায় সে। দম্ভভারে হেসে ফ্যালে, কারন ইতোমধ্যে হেঁদো মেয়েটির কাছ থেকে সে যোনিজাত অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে।
ঈশ্বর হেঁদো মেয়েটিকে বোঝায়, আপাতত উৎসবের মরশুম। এই মরশুমে ফরসা মেয়েটি ভাল থাকার দাবিদার। ফলত, এক্ষণে উৎসব ব্যতীত অন্য মোক্ষলাভের প্রচেষ্টা থাকা উচিত নয়।
হেঁদো মেয়েটি যদিও গৃহস্থ, তমোগুণ ও রজোগুণ সম্পন্না। ঈশ্বরের অঙ্গপূজার মাধ্যমেই সে নিয়ন জ্যোতি লাভ করতে চায়।
ফরসা মেয়েটি তবুও তার হিংসার পাত্রী হয়না।
ঈশ্বর আশ্বাস দ্যায়, এ নিছকই ফরসা দেহকে সম্মাননা জ্ঞাপন ছাড়া কিছুই নয়।
ফরসা মেয়েটি জিতে যাওয়ার পর নিজেই একটি উত্তরীয় পরে ন্যায়।
কিয়ৎক্ষণ মাটিতে মাথা ঝুঁকিয়ে রাখে, য্যানো কিছু নির্বাচন করতে চাইছে। তারপর ঈশ্বরের দিকে তাকিয়ে বলে,
আমি মিষ্টি খাইনা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন