রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫

মেয়েটি ফরসা ছিল ১

পার্থিব আসক্তিতে গত কিছু শৈশব যাবৎ ফুটবল খেলেছি। এক পায়ে বল,  চোখ কাটাচ্ছে বাধাগুলো। এই ধরুন, তিনি ও তারা পাশাপাশি বসে আছে। আবার ধরুন, তিনি এখানে অমাতৃক ও তারা সবাই হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ। এবার ছড়িয়ে ফ্যালা যেতেই পারে। প্রিয়তমা খোলস থেকে আশু ভ্যাম্পরূপী সন্দেহকারী বা গঙ্গার ঘাটের চোলাই এর পাউচ।সবই অহেতুক কলাপ্স করা নয়, রিজিড থাকা নয়। প্রবাহমানতাই একমাত্র লক্ষ্য।এবং আপনি কোনো মতেই দিকভ্রষ্ট হচ্ছেন না এই অমাতৃক আর প্রসূতিবিভাগের ভিতর। কারণ,  এখন তারা একসাথে বসে থাকলেও হতেই পারে তাদের বিচ্ছেদ পরবর্তী আবার দ্যাখা হবে কোনো সদ্যজাত শিশুর নিমিত্ত হয়ে। এই দেখুন, আপনার অলক্ষ্যেই তাদের পুনর্বার দ্যাখা করানোর আগে যে আপাতত তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে তা নির্দেশিত হল।
      অমানুষিক সাহচর্য বিলাস ধর্তব্যের মধ্যে আদৌ কি পরে? চিরাচরিত অলক্ষ্যে কোনো যাপনের মধ্যে যে থিতিয়ে পড়া চলে- বিনোদন বিনোদিত হয় - যাপন ভেঙে ফ্যালার জন্য, যে ধূর বাল... আর ভাল লাগছে না বাড়া। উই শুড ক্লোজ ইট ইমিডিয়েটলি। কিন্তু প্রসূতিবিভাগ বিপন্ন, সদ্যজাত'র জন্ম ব্যতীত।  তার জন্য হাসপাতালে গর্ভবতীর আসা প্রয়োজন।  মানে শেষমেশ সদ্যজাতটি অমাতৃক হল না। যদিও এখানে অমাতৃক নামক তিনির এক্সিজটেন্স আছে।
     হঠাৎ করে অমাতৃক নিজে সন্তানসম্ভবা হয়, যদিও তা স্বাভাবিক ভবিষ্যৎই ছিল। তবুও অমাতৃক অবাক হয়। সে যে মাতৃক কাউকে পৃথিবীস্থ করতে চলছে,  তাহা বিশ্বাসের অতীত। ও এক বিশাল সাবধানতা সূচিত হয়। প্রসূতিবিভাগে সে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে আসে।
   জল ভাঙে ঘাট পাউচ পাউচের বাংলা প্রিয়তমা ভ্যাম্প,  যেহেতু প্রিয়তমার প্রিয়তম অন্য কারোর ঘরে।  
অমাতৃক ফুলের মত সরু চালের ভাত বাড়ে, কাঁসার থালায়
প্রসূতিগৃহ তৃপ্ত হয়
তারা রান্নাঘর থেকে খাওয়ার টেবিল অবধি পথ,
পৌঁছোবার 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন